দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হলেও যুদ্ধের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকবে বলে মনে করছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের একাংশ। তাদের আশঙ্কা, যুদ্ধের আর্থিক প্রভাব নিয়ে ভোটারদের কাছে জবাবদিহি করতে হতে পারে।
দলটির কয়েকজন নেতার মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তারা মনে করেন, নির্বাচনী প্রচারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের পক্ষে সাফাই গাওয়া সহজ হবে না। বিশেষ করে ট্রাম্প অতীতে বিদেশে নতুন কোনো যুদ্ধ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
এদিকে ইসরায়েলপন্থী মহলের কিছু সদস্যের বক্তব্য, ইসরায়েল যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের স্বাক্ষরকারী নয়, তাই তারা চুক্তির শর্তে বাধ্য নয়।
তাদের মতে, লেবাননে ইসরায়েল নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ট্রাম্পের সামনে কঠিন সিদ্ধান্ত চলে আসবে—তিনি ইরানের অবস্থানকে সমর্থন করবেন, নাকি লেবাননে ইসরায়েলের পদক্ষেপের পাশে দাঁড়াবেন।
একজন ক্ষমতাসীন দলের নেতা পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, ‘এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছিল। তাই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং তা বন্ধ করার চেষ্টা করেছেন। এটিই প্রমাণ করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া একজন প্রেসিডেন্ট।’
সূত্র: আল-জাজিরা
/অ